Mahesh Bhupati: the court is a little slow, says mahesh bhupati – কোর্ট একটু মন্থর, বলছেন মহেশ

এই সময়: সাউথ ক্লাবের বাইরের রাস্তা থেকেই চোখে পড়বে গ্যালারির খাঁচাটা। ভিতরে ঢুকলে দেখা যাবে, খাঁচাটা দাঁড়িয়ে থাকলেও এখনও গ্যালারির বেশ কাজ বাকি। তবে বুধবারের মধ্যে তা সম্পূর্ণ হয়ে যাবে বলেই মনে করছেন আয়োজকরা।

ক্লাব জুড়ে শেষ মুহূর্তের প্রচণ্ড কর্মকাণ্ড। হক-আই সংস্থার লোকজন চলে এসেছেন। যাঁরা রিভিউয়ের জন্য ক্যামেরা লাগাবেন কোর্টের ধারে। ১০টি ক্যামেরা লাগে এর জন্য। তা নিয়ে সাউথ ক্লাব কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে ঠিক করছিলেন কী ভাবে ক্যামেরাগুলো লাগানো হবে।

আন্তর্জাতিক টেনিস ফেডারেশনের (আইটিএফ) এক কর্তা হাজির। টুর্নামেন্ট রেফারি ওয়েন ম্যাকইউয়েন এলেন সোমবার রাতেই। সদস্যদের কেউ কেউ এসে টিকিটের খোঁজ করছেন এখন থেকেই। প্রজ্ঞেশদের প্র্যাক্টিস দেখতে এ দিন হাজির ছিলেন শহরের টেনিস প্লেয়ার শিবিকা বর্মণও। দুই প্রাক্তন ফুটবলার প্রদীপ চৌধুরী এবং শ্যাম থাপাও সদস্য সাউথ ক্লাবের। তাঁরাও ছিলেন আন্তর্জাতিক টেনিসের আঁচ নিতে।

বৃহস্পতিবার টাইয়ের ড্র। মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্যপালকে আমন্ত্রণ জানানোর ভাবনা ক্লাবের তরফ থেকে। ১৬ বছর পর শহরে ডেভিস কাপ নিয়ে উৎসাহ যে রকম থাকা উচিত, পরিস্থিতি ঠিক সে রকমই। উত্তেজনাটা যেন আরও বাড়িয়ে দিলেন ভূপতি-বোপান্নারা। গত বুধবার থেকে শহরে থাকলেও সাউথ ক্লাবে এ দিনই প্রথম প্র্যাক্টিস করল টিম ইন্ডিয়া। রামকুমার-প্রজ্ঞেশরা এসেছিলেন প্র্যাক্টিসে। ছুটি দেওয়া হয়েছিল বোপান্নার সম্ভাব্য ডাবলস পার্টনার দিবীজ শরণকে। দুপুরে প্র্যাক্টিসে এল ইতালি টিমও।

সাউথ ক্লাবের ঘাসে প্র্যাক্টিসের অভিজ্ঞতা কী? ভারতের নন-প্লেয়িং ক্যাপ্টেন প্র্যাক্টিসের পর বেরোনোর সময় জানালেন তাঁর মত। মহেশ ভূপতির কথায়, ‘এত দিন যে কোর্টে প্র্যাক্টিস করছিলাম, তার থেকে একটু মন্থর লাগল।’ এই সমস্যা ডেভিস কাপে আগেও দেখেছে সাউথ ক্লাব। মার্ক রসেদের সুইৎজারল্যান্ড টিম ১৯৯৩ সালে ওয়ার্ল্ড গ্রুপের প্রথম রাউন্ডে হেরেছিল লিয়েন্ডার পেজ-রমেশ কৃষ্ণণদের কাছে। সে বার সাউথ ক্লাবের ঘাসের কোর্ট শেষ দিকে একটু বেশি স্লো হয়ে পড়েছিল। টাইয়ের শেষ ম্যাচ সহজে জিতে গিয়েছিলেন রমেশ। এ বারও কি সে রকম কিছু হতে পারে? তা নিয়ে কোনও মন্তব্য করেননি মহেশ। তবে ঘাসের কোর্ট নিয়ে বলছিলেন, ‘এখনও তিন দিন বাকি টাইয়ের। ঘাসে রোল হলে কোর্টের চরিত্র আবার একটু পাল্টাবে।’ ভারতীয় সিঙ্গলস প্লেয়ার রামকুমার রমানাথন আবার বলছিলেন, ‘জিমখানা ক্লাবের ঘাসের কোর্টের সঙ্গে খুব ফারাক নেই এখানকার কোর্টের।’

রবিবার রোহন বোপান্নাকে নিয়ে ভূপতি গিয়েছিলেন কলকাতা ডার্বি দেখতে। যা দেখার পর অভিভূত ভূপতির মন্তব্য, ‘বিদেশে অনেক ম্যাচ দেখেছি। সেখানে হয়তো ৮০ শতাংশ হোম ফ্যান থাকে। বাকি ২০ শতাংশ অ্যাওয়ে। এখানে ৫০-৫০ দুই টিমের সমর্থক। দুর্দান্ত পরিবেশ।’ দুই টিমের কার প্রতি সমর্থন ছিল? হাসতে হাসতে ভূপতির জবাব, ‘এটা বলে বিতর্ক তৈরি করতে চাই না। কারণ, আমি চাই শুক্র-শনি দুই টিমেরই সমর্থক আসুক আমার টিমকে সমর্থন জানাতে।’

ভূপতির লক্ষ্য এখন এটাই। সেপ্পি-চেচ্চিনাতোদের বিরুদ্ধে টিমের অতিরিক্ত প্লেয়ার হিসেবে পাশে চাইছেন শহরের মানুষকে।




Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

Sony Norde: i could not play as desired in kolkata derby: sony norde – ব্যর্থতা স্বীকার সোনির

এই সময়: ফিরতি বড় ম্যাচে তিনি যে চূড়ান্ত ফ্লপ, কবুল করে নিলেন সোনি নর্দে। সোমবার ...